পুরুলিয়া কীভাবে পশ্চিমবঙ্গের অংশ হলো? — একটি গৌরবময় সংগ্রামের ইতিহাস

পুরুলিয়া জেলা কীভাবে পশ্চিমবঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল? জানুন পুরুলিয়ার ইতিহাস, পকবিড়া পদযাত্রা ও ১৯৫৬ সালের অবিস্মরণীয় সংগ্রামের ইতিহাস

পুরুলিয়ার ইতিহাস, মানভূম সত্যাগ্রহ
picture source

ক্যাটাগরি: ইতিহাস | পশ্চিমবঙ্গ | পুরুলিয়া

সেই জেলার গল্প যে লড়াই করে বাংলায় ফিরেছিল

আজকের জেন-জি প্রজন্ম হয়তো জানে পুরুলিয়া মানে ছৌ নাচ, টুসু পরব, পাহাড়-জঙ্গলের রহস্যময় সৌন্দর্য আর ব্যান্ড সঙ্গীতের এক অনন্য কেন্দ্র। কিন্তু এই জেলার নাম শুনলে শুধু প্রকৃতির কথা মনে আসে কেন? পুরুলিয়ার আসল পরিচয় লুকিয়ে আছে তার সংগ্রামের ইতিহাসে। এমন এক ইতিহাস, যেখানে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ — কৃষক, মহিলা, বৃদ্ধ, যুবক — একটাই দাবি নিয়ে পথে নেমেছিল: “আমরা বাঙালি, আমরা বাংলায় থাকতে চাই।”

পুরুলিয়া একসময় পশ্চিমবঙ্গের অংশ ছিল না। এই জেলা ছিল তৎকালীন বিহার প্রদেশের মানভূম জেলার অন্তর্গত। এক দীর্ঘ, কষ্টের, অহিংস সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৫৬ সালের ১ নভেম্বর পুরুলিয়া পশ্চিমবঙ্গের অংশ হয়। এই ইতিহাসটা কেবল একটা ভৌগোলিক পরিবর্তনের গল্প নয় — এটা পরিচয়ের লড়াই, ভাষার মর্যাদার লড়াই, মানুষের আত্মসম্মানের লড়াই।

প্রশ্ন: পুরুলিয়া কি আগে পশ্চিমবঙ্গে ছিল না?

না। স্বাধীনতার আগে এবং স্বাধীনতার পরেও প্রায় এক দশক ধরে পুরুলিয়া ছিল বিহারের অন্তর্গত। ব্রিটিশ শাসনকালে পুরুলিয়া ছিল বিহার ও ওড়িশা প্রদেশের মানভূম জেলার একটি অংশ। মানভূম জেলায় বাংলা-ভাষী মানুষের সংখ্যা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ, অথচ রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কারণে তারা ছিল বিহারের ছত্রছায়ায়।

এখানেই শুরু হয় এক দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ও ভাষিক সংঘাতের বীজ। বাংলা-ভাষী মানুষেরা চাইতেন তাদের সন্তানেরা বাংলায় পড়বে, বাংলায় কথা বলবে, বাংলায় বড় হবে। কিন্তু বিহার সরকার সেই জায়গায় হিন্দি চাপিয়ে দিচ্ছিল — স্কুলে, আদালতে, সরকারি দপ্তরে।

Also read: তমলুক বা তাম্রলিপ্ত – হাজার বছরের ইতিহাস ও ভ্রমণ গাইড

মানভূম: একটি জেলা, দুটি পরিচয়

মানভূম জেলা ছিল বহু বৈচিত্র্যের এক অদ্ভুত মিলনস্থল। পশ্চিমে কোল, সাঁওতাল, মুন্ডা জনগোষ্ঠীর আদিবাসী ঐতিহ্য, পূর্বে বাংলা ভাষার সংস্কৃতি। কিন্তু এই জেলার পরিচয়ের মূল শিকড় ছিল বাংলায়। পুরুলিয়ার মানুষ টুসু গান গাইতেন, ভাদু পূজা করতেন, ঝুমুর নাচের তালে তালে উৎসব করতেন — এ সবই ছিল বাংলার লোকসংস্কৃতির অংশ।

১৯৪১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, মানভূম জেলার প্রায় ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ বাংলাভাষী ছিলেন। তবু তাদের ভাগ্য নির্ধারণ হতো হিন্দিভাষী বিহার সরকারের হাতে। এই বৈষম্য একটা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির মতো ধীরে ধীরে জমে উঠছিল।

স্বাধীনতার পরেও অসম্পূর্ণ স্বাধীনতা: ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬

অতুলচন্দ্র ঘোষ
picture source

১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হলো। দেশে গণতন্ত্র এলো। কিন্তু মানভূমের বাংলাভাষীদের কাছে সেই স্বাধীনতা ছিল অধরা। কারণ স্বাধীনতার পরেও তারা থেকে গেলেন বিহারের অন্তর্গত। তাদের ভাষার অধিকার স্বীকৃত হলো না।

তখন মানভূমে গড়ে উঠলো এক শক্তিশালী সংগঠন — লোক সেবক মণ্ডল। এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য ছিল একটাই: মানভূমের বাংলাভাষী অঞ্চলকে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে যুক্ত করা। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন দুই দিকপাল:

  • অতুলচন্দ্র ঘোষ — আন্দোলনের প্রাণপুরুষ, গান্ধীজির আদর্শের অনুসারী
  • বিভূতিভূষণ দে — সংগঠনের কুশলী নেতা
  • নিকুঞ্জবিহারী মাইতি — মানভূম আন্দোলনের অন্যতম স্থপতি

এই নেতারা গান্ধীজির অহিংস আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন। শুরু হলো মানভূম সত্যাগ্রহ

মানভূম সত্যাগ্রহ: অহিংসার শক্তিতে ভাষার লড়াই

১৯৪৮ সাল থেকে মানভূম সত্যাগ্রহ শুরু হয়। হাজার হাজার মানুষ গ্রেফতার বরণ করলেন। স্কুলে হিন্দির বিরুদ্ধে বাংলা শেখানোর দাবিতে পথে নামলেন শিক্ষকেরা। মহিলারা এগিয়ে এলেন সামনের সারিতে। গ্রামের পর গ্রামে চলল বাংলা ভাষার পতাকা নিয়ে মিছিল।

এই আন্দোলনের একটা বিশেষ দিক ছিল — এটা শুধু রাজনৈতিক ছিল না, সাংস্কৃতিকও ছিল। আন্দোলনকারীরা বাংলায় গান গাইতেন, বাংলায় কবিতা পড়তেন, টুসু গানের মধ্য দিয়ে তাদের দাবিকে তুলে ধরতেন। এই সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী — কারণ এটা মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে যেত।

বিহার সরকার দমন-পীড়ন চালালো। পুলিশ লাঠি চালালো। হাজারের বেশি আন্দোলনকারী কারাবন্দী হলেন। কিন্তু অতুলচন্দ্র ঘোষ ও বিভূতিভূষণ দে’র নেতৃত্বে মানভূম সত্যাগ্রহ থামলো না।

ঐতিহাসিক পদযাত্রা: পকবিড়া থেকে কলকাতা — ইতিহাসের পথে হাঁটা

পকবিড়া পদযাত্রা
picture source

মানভূম আন্দোলনের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় হলো ১৯৫৬ সালের পকবিড়া পদযাত্রা। এটা ছিল এমন এক ঘটনা যা ভারতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

১৯৫৬ সালের ২রা এপ্রিল — পুরুলিয়ার পকবিড়া গ্রাম থেকে শুরু হলো পকবিড়া পদযাত্রা। গন্তব্য: কলকাতা। নেতৃত্বে অতুলচন্দ্র ঘোষ। সঙ্গে চললেন প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ — বৃদ্ধ, মহিলা, শিশু, কৃষক, শিক্ষক। পায়ে হেঁটে, রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে, গান গাইতে গাইতে।

এই পদযাত্রার পথে যে গ্রামই এসেছিল, সেই গ্রামের মানুষ বেরিয়ে এসেছিল। কেউ জল দিয়েছে, কেউ খাবার দিয়েছে, কেউ পদযাত্রায় যোগ দিয়েছে। গোটা পথ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল একটাই সুর — “আমাদের বাংলায় ফেরাও।”

পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা বাংলায় গান গাইতেন:

“মানভূমের মাটি ডাকছে,
বাংলার মায়ের কোলে ফেরাও।”

এই পদযাত্রা কলকাতায় পৌঁছানোর আগেই দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলে দেয়। কেন্দ্রীয় সরকার নজর দিতে বাধ্য হয়। গণমাধ্যম পুরো দেশকে জানিয়ে দেয় মানভূমের মানুষের কথা।

রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন এবং ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত

এই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত সরকার ১৯৫৩ সালে গঠন করে রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন (States Reorganisation Commission)। কমিশনের দায়িত্ব ছিল ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যের সীমানা নির্ধারণ করা।

১৯৫৫ সালে কমিশন তার রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে সুপারিশ করা হয়: মানভূম জেলার বাংলাভাষী অঞ্চল — যা পরে পুরুলিয়া জেলা হিসেবে পরিচিত হবে — তা পশ্চিমবঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।

১৯৫৬ সালের ১ নভেম্বর — ভারতের রাজ্য পুনর্গঠন আইন (States Reorganisation Act, 1956) কার্যকর হয়। সেই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে মানভূম জেলার বাংলাভাষী অংশ নিয়ে গঠিত হয় পুরুলিয়া জেলা, এবং তা পশ্চিমবঙ্গের অংশ হয়ে যায়।

মানভূম জেলার বাকি অংশ — ধানবাদ এবং সংলগ্ন এলাকা — বিহারের অন্তর্গতই থেকে যায়।

সেই দিনটা কেমন ছিল? ১ নভেম্বর ১৯৫৬

কল্পনা করো সেই মুহূর্তটা। বছরের পর বছর অপেক্ষা, হাজারের বেশি মানুষের কারাবাস, শত শত মাইল পায়ে হাঁটা — সব শেষে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

পুরুলিয়ার গ্রামে গ্রামে সেদিন উৎসব হয়েছিল। মানুষ আনন্দে কেঁদেছিল। বৃদ্ধারা মাটিতে কপাল ঠেকিয়ে প্রণাম করেছিলেন। শিশুরা বুঝতে পারেনি কী হচ্ছে, কিন্তু বড়দের আনন্দ দেখে তারাও উৎসবে মেতেছিল।

যারা কারাগারে ছিলেন, তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। লোক সেবক মণ্ডলের কার্যালয়ে জড়ো হয়েছিলেন হাজারো মানুষ। গান, আনন্দ, অশ্রু — সব মিলিয়ে সেদিন ছিল পুরুলিয়ার ইতিহাস নবজন্মের দিন

Also read: মেদিনীপুরের এক বিস্মৃত ইতিহাস ও বৈপ্লবিক ঐতিহ্য – নাড়াজোল রাজবংশের ইতিকথা

পুরুলিয়ার অবদান যা আমরা ভুলে যাই

আজকের জেন-জি প্রজন্মকে এই ইতিহাসটা জানা দরকার — শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, নিজেদের শেকড় বোঝার জন্য। পুরুলিয়ার মানভূম আন্দোলন ভারতে ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

এই আন্দোলন প্রমাণ করেছিল:

১. ভাষা মানুষের মৌলিক পরিচয়। মানুষ খাবার ছেড়ে দিতে পারে, সুখ ছেড়ে দিতে পারে, কিন্তু নিজের ভাষাকে মুছে দিতে পারে না। পুরুলিয়ার মানুষ সেটাই দেখিয়েছিল।

২. অহিংস আন্দোলনও বদলে দিতে পারে ইতিহাস। একটাও বন্দুক ছাড়া, একটাও বোমা ছাড়া, শুধু গান আর পদযাত্রা দিয়ে একটি জেলার ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছিল।

৩. সাধারণ মানুষই ইতিহাস তৈরি করে। বড় বড় নেতারা নয়, হাজার হাজার নামহীন মানুষই পুরুলিয়াকে বাংলায় ফিরিয়ে এনেছিল।

সংগ্রামের নায়কেরা: যাদের ইতিহাস মনে রাখে না

পুরুলিয়া আন্দোলনে অনেক বিখ্যাত নেতার নাম আমরা জানি। কিন্তু এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ, যাদের নাম কোনো ইতিহাসের বইতে নেই।

সেই বৃদ্ধা মহিলারা যারা কয়েকশো মাইল হেঁটে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। সেই কৃষকেরা যারা ফসলের মাঠ ছেড়ে কারাগারে গিয়েছিলেন। সেই শিক্ষকেরা যারা হিন্দি না পড়িয়ে বাংলায় পড়িয়েছিলেন এবং শাস্তি পেয়েছিলেন। সেই যুবকেরা যারা বারবার গ্রেফতার হয়েছিলেন কিন্তু আন্দোলন ছাড়েননি।

এরাই পুরুলিয়ার আসল নায়ক।

আজকের পুরুলিয়া: সংগ্রামের সন্তান

আজকের পুরুলিয়া পশ্চিমবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা। ছৌ নাচ এখন UNESCO স্বীকৃত ঐতিহ্য। পুরুলিয়ার টুসু পরব, ভাদু পরব, ঝুমুর গান এখন সারা বাংলার গর্ব।

কিন্তু এই গর্বের পেছনে আছে সেই অগণিত মানুষের ত্যাগের গল্প। প্রতিটি টুসু গানের সুরে আছে সেই সংগ্রামের প্রতিধ্বনি। প্রতিটি ছৌ নাচের মুখোশে আছে সেই প্রতিরোধের ছবি।

পুরুলিয়ার মাটি-পাথর-জল — সবকিছুতে মিশে আছে সেই লড়াইয়ের ইতিহাস।

জেন-জির জন্য একটা বার্তা

তোমরা যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলায় ক্যাপশন লেখো, বাংলা গান শোনো, বাংলায় meme বানাও — তোমরা কি জানো এই ভাষার জন্য মানুষ একসময় জেল খেটেছে? পায়ে হেঁটে কলকাতা পর্যন্ত এসেছে?

পুরুলিয়ার মানুষেরা শুধু একটা জেলার সীমানার জন্য লড়াইনি। তারা লড়াই করেছিল ভাষার জন্য, পরিচয়ের জন্য, সংস্কৃতির জন্য। এটা ছিল একটা সভ্যতার লড়াই।

আজকের দিনে যখন ভাষা, পরিচয়, সংস্কৃতি নিয়ে নানারকম প্রশ্ন উঠছে — তখন পুরুলিয়ার এই ইতিহাস আমাদের শেখায়: নিজের পরিচয়ের জন্য লড়াই করাটা কোনো দুর্বলতা নয়, এটা সবচেয়ে বড় শক্তি।

Also read: ধান্যকুড়িয়ার রাস উৎসব ২০২৬ – স্মৃতিতে অক্ষয় হয়ে থাকবে

উপসংহার: পুরুলিয়া — বাংলার গর্ব

পুরুলিয়া শুধু একটা জেলা নয়। পুরুলিয়া হলো একটা প্রতিজ্ঞার নাম — যে প্রতিজ্ঞা করেছিল হাজার হাজার সাধারণ মানুষ, নিজেদের ভাষা ও পরিচয়ের জন্য।

১৯৫৬ সালের ১ নভেম্বর পুরুলিয়া পশ্চিমবঙ্গে যোগ দিয়েছিল। কিন্তু পুরুলিয়া সবসময়ই বাংলার ছিল — মনে, সংস্কৃতিতে, গানে, উৎসবে।

আজকের পুরুলিয়া যখন ছৌ নাচের তালে মাতে, যখন টুসু গানের সুর পাহাড়ে ভাসে, যখন অযোধ্যা পাহাড়ের সূর্যাস্তে আকাশ রঙিন হয় — তখন সেই প্রতিটি মুহূর্তে বেঁচে থাকে সেই হাজারো মানুষের সংগ্রামের স্মৃতি।

পুরুলিয়া আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়: ইতিহাস শুধু পড়ার জিনিস নয়, ইতিহাস আমাদের বেঁচে থাকার শক্তি।

দ্রুত তথ্য (Quick Facts for Gen-Z)

বিষয়তথ্য
পুরুলিয়া কবে পশ্চিমবঙ্গে যোগ দেয়?১ নভেম্বর ১৯৫৬
আগে কোন রাজ্যের অংশ ছিল?বিহার (মানভূম জেলা)
আন্দোলনের নাম কী ছিল?মানভূম সত্যাগ্রহ
আন্দোলনের শুরু কবে?১৯৪৮ সাল
ঐতিহাসিক পদযাত্রা কোথা থেকে শুরু হয়?পকবিড়া গ্রাম, পুরুলিয়া
পদযাত্রা শুরুর তারিখ২ এপ্রিল ১৯৫৬
কোন আইনে পুরুলিয়া বাংলায় আসে?States Reorganisation Act, 1956
আন্দোলনের প্রধান সংগঠন কোনটি?লোক সেবক মণ্ডল
আন্দোলনের প্রধান নেতা কে ছিলেন?অতুলচন্দ্র ঘোষ

এই প্রবন্ধটি পুরুলিয়ার সংগ্রামী মানুষদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত — যারা নামহীন থেকে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন।


Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top