Author name: Sabjanta

পন্ডিত মশাই অবাক : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কেমন ছিলেন ছোটবেলায়

পন্ডিত মশাই অবাক : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কেমন ছিলেন ছোটবেলায়

ঈশ্বরচন্দ্রের বয়স তখন চার বছর পাঁচ মাস। পিতা ঠাকুরদাস বন্দোপাধ্যায় তাকে পাঠশালায় ভর্তি করিয়ে দিলেন। পাঠশালায় পন্ডিত কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায় স্বরবর্ণের পাতা খুলে ঈশ্বরচন্দ্রকে বললেন-“পড়ো অ.আ.ই.ঈ।” দু-তিনবার পড়ানোর পর ঈশ্বরচন্দ্র সবগুলো অক্ষর শিখে ফেলল। পণ্ডিতমশাই ভাবলেন, স্বরবর্ণ পর্যন্ত সেদিন নতুন ছাত্রটিকে পড়াবেন। কিন্তু ঈশ্বর আরো শিখতে চায়। তখন পণ্ডিতমশাই ব্যঞ্জনবর্ণও তাকে সেখালেন। দু-তিনবার পড়েই সমস্ত ব্যঞ্জনবর্ণ […]

পন্ডিত মশাই অবাক : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কেমন ছিলেন ছোটবেলায় Read More »

আদি শংকরাচার্য

অবাক করা ছেলে: শৈশবে কেমন ছিলেন আদি শংকরাচার্য

প্রায় বারোশো বছর আগে, দক্ষিণ ভারতের কেরালার সমুদ্রতীরে একটি শিশু জন্ম হয়েছিল। নাম তার ছিল শংকর । শিশুটি যত বড় হতে থাকল তত তারমধ্যে নানা রকম গুণের প্রকাশ পেতে থাকে। সে একবার যা শুনত চিরদিনের জন্য তার মনে তা গেথে যেত। মাত্র তিন বছর বয়সে সে-সময়ের প্রচলিত সব ভাষায় যে-কোন বই সে পড়তে পারত। তখনকার

অবাক করা ছেলে: শৈশবে কেমন ছিলেন আদি শংকরাচার্য Read More »

গাধা ও বাঘের গল্প

গাধা ও বাঘের গল্প

গাধা ও বাঘের গল্প :- এক জঙ্গলে একদিন এক গাধার সাথে বাঘের দেখা হল। গাধা বাঘকে বলল — ঘাসের রং নীল। বাঘ বলল — না, ঘাসের রং সবুজ। কিছুক্ষনের মধ্যেই দু’জনের মধ্যে তুমুল তর্কে লেগে গেল। কেউ কারো কথা শুনছে না। অবশেষে তারা জঙ্গলের রাজা সিংহের কাছে বিচারের জন্য উপস্থিত হল। রাজদরবারে সিংহের কাছে পৌঁছানোর

গাধা ও বাঘের গল্প Read More »

পেয়াজ পোস্ত রান্নার রেসিপি - বাঙালি ধাঁচের পেয়াজ পোস্ত

পেয়াজ পোস্ত রান্নার রেসিপি

পেয়াজ পোস্ত, বাঙালি রান্নার প্রতি আগ্রহী হলে অবশ্যই চেষ্টা করে দেখুন সাধারণ কয়েকটি মাত্র উপাদান দিয়ে বাড়িতে তৈরি করুন, বাঙালি ধাঁচের পেয়াজ পোস্ত, বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমের সময়। এটি হালকা, সুস্বাদু এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখবে। তাহলে চলুন পেয়াজ পোস্ত বানানোর উপাদানগুলো এবং পদ্ধতি জেনে নেওয়া যাক। উপকরণ : অর্থাৎ কি কি লাগবে প্রণালী : মানে

পেয়াজ পোস্ত রান্নার রেসিপি Read More »

স্বামী অভেদানন্দ

স্বামী অভেদানন্দ – ( ২ অক্টোবর ১৮৬৬ – ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ )

১২৭৩ বঙ্গাব্দের ১৭ আশ্বিন (ইংরেজি ২ অক্টোবর ১৮৬৬) কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবার নাম রসিকলাল চন্দ ও মা নয়নতারা। তাঁর নাম রাখা হয় কালীপ্রসাদ। প্রথমে একটি সংস্কৃত বিদ্যালয়ে তিনি পড়েছিলেন ও পরে ১৮ বছর বয়সে ওরিয়েন্টাল সেমিনারি থেকে এন্ট্রান্স পাশ করেন। ছেলেবেলা থেকেই ধর্মে তাঁর প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। যৌবনের শুরুতে হিন্দুশাস্ত্রাদি পাঠের সঙ্গে সঙ্গে রেভারেণ্ড ম্যাকডোরেণ্ড,

স্বামী অভেদানন্দ – ( ২ অক্টোবর ১৮৬৬ – ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ ) Read More »

বাংলার বাঘ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়: ছেলেবেলায় কেমন ছিলেন

বাংলার বাঘ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়: ছেলেবেলায় কেমন ছিলেন

ছেলেবেলায় কেমন ছিলেন স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়? তাঁর ছেলেবেলা প্রসঙ্গে একটি ঘটনা দেওয়া হল। আশুতোষ তখন শিশু, বিদ্যালয়ের ছাত্র। এই বয়সে অনেক ছেলে পড়ায় ফাঁকি দিয়ে খেলাধুলা করতে ভালবাসে। আশুতোষের সে সব নেই। পড়াশোনায় তার মনোযোগ অন্য সবার থেকে বেশি । একবার বেশ কিছুদিন তিনি কঠিন অসুখে ভুগেছিলেন । চিকিৎসার পর অসুখ সেরে গেল বটে, কিন্তু

বাংলার বাঘ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়: ছেলেবেলায় কেমন ছিলেন Read More »

সত্যেন্দ্রনাথ বসু : গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানী

সত্যেন্দ্রনাথ বসু : বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা

সত্যেন্দ্রনাথ বসু আলবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গে যৌথভাবে বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান প্রদান করেন, যা পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বলে বিবেচিত হয়। ছাত্রজীবনে অত্যন্ত মেধাবী সত্যেন্দ্রনাথ কর্মজীবনে সংযুক্ত ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বভারতী ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। তিনি সান্নিধ্য পেয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রফুল্লচন্দ্র রায়, মেরি ক্যুরি প্রমুখ মনীষীর। আবার অনুশীলন সমিতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ও স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবীদের সঙ্গে

সত্যেন্দ্রনাথ বসু : বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা Read More »

রাজা রামমোহন রায়

ছোট্ট রামমোহন : ছোটবেলায় কেমন ছিলেন রাজা রামমোহন রায়

অষ্টাদশ শতকে জমিদার রামকান্ত রায়ের ছেলে রামমোহন। ফুটফুটে তার চেহারা, নাদুস নুদুস শরীর। খুব দুরন্ত, তবু লেখাপড়ায় তার ভারী মনোযোগ। অক্ষর-পরিচয় হতে রামমোহনের দু’তিন দিনের বেশি লাগলনা। ফলা-বানান এবং যুক্ত-অক্ষরও তিনি দু’তিন দিনের মধ্যে শিখে ফেললেন। সেকালের হিন্দুদের মধ্যে আরবি ও ফারসি শেখার রেওয়াজ ছিল। ওই ভাষা না শিখলে সরকারি কাজকর্মে খুব অসুবিধে হতো। রামকান্ত

ছোট্ট রামমোহন : ছোটবেলায় কেমন ছিলেন রাজা রামমোহন রায় Read More »

অহংকারের পরিণতি

অহংকারের পরিণতি : ঈশপের গল্প

এক বিশাল বনের ধারে বিরাট একটি গাছ ছিল। তার শিকড় যেমন মাটির অনেক গভীর পর্যন্ত ছিল তেমনি ডালপালাও চারপাশের অনেকখানি জায়গা জুড়ে ছড়িয়েছিল। গাছটির ঘন পাতার রাশি সূর্যের আলো প্রতিরোধ করে মানুষকে ছায়া দিত। গাছটিতে অসংখ্য পাখি বাস করত। মানুষ ও পাখির সমাগমে গাছটির চারপাশের এলাকা মুখরিত থাকত। এই বিরাট গাছটির নিচে একটি গাছের চারা

অহংকারের পরিণতি : ঈশপের গল্প Read More »

কাজী নজরুল ইসলাম

ক্ষুদিরামের মা – কাজী নজরুল ইসলাম

ক্ষুদিরামের মা কাজী নজরুল ইসলাম ক্ষুদিরামের ফাঁসির সময়ের একটা গানে আছে, ক্ষুদিরাম বলছে – আঠারো মাসের পরেজনম নেব মাসির ঘরে, মা গো,চিনতে যদি না পার মাদেখবে গলায় ফাঁসি –একবার বিদায় দে মা ফিরে আসি। সেই হারা-ক্রন্দনের আশ্বাস-গান শুনে আজও অতি বড়ো পায়াঙ্গ মেয়েরও চোখে জল আসে, গা শিউরে ওঠে। আমাদের মতো কাপালিকেরও রক্ত-আঁখি আঁখির সলিলে

ক্ষুদিরামের মা – কাজী নজরুল ইসলাম Read More »

Scroll to Top