
উনিশ শতকের বাংলা নবজাগরণ ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের সাহিত্য, শিক্ষা ও সমাজসংস্কারের এক স্বর্ণযুগ। তৎকালীন সময়ে প্রথাগত সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও রক্ষণশীল মানসিকতার প্রাচীর ভেঙে যে কজন নারী স্বমহিমায় আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে সর্বাগ্রগণ্য হলেন স্বর্ণকুমারী দেবী (Swarnakumari Devi)। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সংগীতরচয়িতা, সম্পাদক এবং একজন নিষ্ঠাবান সমাজসেবী ও রাজনৈতিক কর্মী।
আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে স্বর্ণকুমারী দেবী কেবল একটি ঐতিহাসিক চরিত্র নন, বরং স্বাবলম্বন, সৃজনশীলতা এবং নারী ক্ষমতায়নের এক চিরন্তন অনুপ্রেরণা। জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের এই কালজয়ী ব্যক্তিত্ব বাংলা সাহিত্য ও বাঙালির আত্ম পরিচয়ের ইতিহাসকে যেভাবে সমৃদ্ধ করেছেন, তা অনুধাবন করা প্রতিটি সাহিত্যপ্রেমী ও তরুণ মনের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
প্রাথমিক জীবন এবং জোড়াসাঁকোর সাংস্কৃতিক পরিবেশ
২৮ আগস্ট ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার বিখ্যাত জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারে স্বর্ণকুমারীর জন্ম। তিনি ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্থ কন্যা এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যেষ্ঠা ভগিনী। তৎকালীন সময়ে ঠাকুর পরিবার ছিল তৎকালীন বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য ও শিল্পচর্চার প্রাণকেন্দ্র।
সে যুগে উচ্চবিত্ত পরিবারের নারীদের অন্তঃপুরেই শিক্ষালাভের নিয়ম ছিল। স্বর্ণকুমারী দেবীও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। কিন্তু তাঁর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুযোগটি ছিল জোড়াসাঁকোর উন্মুক্ত ও উদার সাংস্কৃতিক পরিবেশ। গৃহশিক্ষকের সান্নিধ্যে ও পরিবারের পণ্ডিতমণ্ডলীর উৎসাহে তিনি খুব অল্প বয়সেই বাংলা, ইংরেজি ও সংস্কৃত ভাষায় গভীর ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর শৈশবের স্মৃতিকথায় বহুবার উল্লেখ করেছেন, কীভাবে স্বর্ণকুমারী দেবী এবং পরিবারের অন্যান্য অগ্রজদের সাহিত্যসাধনা তাঁর নিজের সাহিত্যিক জীবনকে অনুপ্রাণিত করেছিল।
১৮৬৮ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে বিশিষ্ট আইনজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জানকীনাথ ঘোষালের সাথে স্বর্ণকুমারী দেবীর বিবাহ হয়। জানকীনাথ ছিলেন প্রগতিশীল চিন্তাধারার মানুষ, যা স্বর্ণকুমারী দেবীকে বিবাহের পরও সাহিত্যচর্চা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সহায়তা করে।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম আলো: ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী দেবী
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম সার্থক নারী ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বর্ণকুমারীর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তাঁর পূর্বে বাংলায় নারী লেখিকাদের উপস্থিতি ছিল প্রধানত কাব্য ও স্মৃতিকথার মধ্যে সীমাবদ্ধ। স্বর্ণকুমারীই প্রথম যিনি বৃহৎ ক্যানভাসে বাংলা উপন্যাস রচনার সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
১৮৭৬ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দীপনির্বাণ’ প্রকাশিত হয়। এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। ভারতের অতীত গৌরব এবং পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকুতি ছিল এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসসমূহ:
১. দীপনির্বাণ (১৮৭৬): জাতীয়তাবাদী ভাবধারায় জারিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথম রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক উপন্যাস।
২. মিবার রাজ (১৮৭৭): রাজপুতদের বীরত্ব এবং দেশের জন্য আত্মত্যাগের পটভূমিতে রচিত।
৩. ছিন্নমুকুল (১৮৭৯): এটি ছিল বাংলা সাহিত্যের প্রথম সামাজিক উপন্যাসগুলির একটি, যেখানে সমসাময়িক সমাজের পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং নারীদের মনস্তাত্ত্বিক রূপ ফুটে উঠেছে।
৪. হুগলীর ইমামবাড়ী (১৮৯৭): ঐতিহাসিক সত্য ও কল্পনার অপূর্ব মিশ্রণে তৈরি একটি কালজয়ী উপন্যাস।
৫. স্নেহলতা (১৮৯০): দুটি খণ্ডে রচিত এই সামাজিক উপন্যাসটিতে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের বাস্তব ছবি ফুটে উঠেছে।
স্বর্ণকুমারীর উপন্যাসগুলির বিশেষত্ব ছিল তাঁর ভাষার সাবলীলতা, জটিল কাহিনী বুনন এবং চরিত্র চিত্রণে অসাধারণ মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা। বিশেষ করে নারী চরিত্রের আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতাকে তিনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তা তৎকালীন সাহিত্যের প্রেক্ষিতে ছিল অত্যন্ত বৈপ্লবিক।
সম্পাদক হিসেবে স্বর্ণকুমারী দেবী এবং ‘ভারতী’ পত্রিকা
বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসে ‘ভারতী’ পত্রিকা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। ১৮৭৭ সালে দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় এই মাসের পত্রিকাটি আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু এই পত্রিকাকে দীর্ঘ সময় ধরে সাফল্যের শীর্ষে ধরে রাখার মূল কৃতিত্ব স্বর্ণকুমারী দেবীর।
১৮৮৪ সাল থেকে তিনি একটানা ১২ বছর ‘ভারতী’ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী সাময়িকপত্র সম্পাদক। পরবর্তীতে ১৯০৮ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত তিনি পুনরায় এই পত্রিকার সম্পাদনার ভার গ্রহণ করেন।
‘ভারতী’ সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি কেবল নতুন নতুন লেখক-লেখিকাদের আত্মপ্রকাশের সুযোগ তৈরি করেননি, বরং সাহিত্য সমালোচনার একটি উচ্চমান নির্ধারণ করেছিলেন। তরুণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহু প্রারম্ভিক লেখা এই ‘ভারতী’ পত্রিকাতেই নিয়মিত প্রকাশিত হতো। বিজ্ঞান, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান এবং শিল্পকলার নানা বিষয়কে বাংলা ভাষায় সহজবোধ্য করে পাঠকের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ‘ভারতী’র অবদান ছিল অসামান্য।
কবি, নাট্যকার ও সংগীত সাধিকা
কেবল উপন্যাস বা সম্পাদনা নয়, সাহিত্যের প্রতিটি শাখাতেই ছিল স্বর্ণকুমারী দেবীর অবাধ বিচরণ।
১. নাটক ও রূপক নাট্য:
তিনি বেশ কয়েকটি নাটক ও গীতিনাট্য রচনা করেন। তাঁর রচিত ‘বসন্ত উৎসব’ (১৮৭৯) বাংলা সাহিত্যের প্রথম রূপক-গীতিনাট্যগুলির একটি। পরবর্তীতে তিনি ‘বিবাহ উৎসব’, ‘কৌতুক নাটক’, এবং ‘দেবকৌতুক’-এর মতো সৃষ্টিশীল নাটক উপহার দেন। তাঁর নাটকে হাস্যরস এবং নীতিশিক্ষার এক চমৎকার সমন্বয় দেখা যায়।
২. কাব্য সাহিত্য:
তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে ‘গাথা’, ‘কবিতা ও গান’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর কবিতায় একাধারে প্রকৃতিপ্রেম, দেশপ্রেম এবং মানবীয় অনুভূতির সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।
৩. সংগীত ও সুরসৃষ্টি:
ঠাকুর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতোই স্বর্ণকুমারীও সংগীতকলায় অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন। তিনি তিন শতাধিক গান রচনা করেছিলেন। তাঁর রচিত গানগুলি তৎকালীন সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। বিষ্ণুপুরী ঘরানার উচ্চাঙ্গ সংগীত এবং স্বদেশী ভাবধারার সুর তাঁর গানে ফুটে উঠত। তিনি ব্রহ্মা সংগীতেও বিশেষ অবদান রেখে গেছেন।
বিজ্ঞান সাহিত্য প্রসার ও পরিভাষা নির্মাণ
বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চাকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি বিশ্বাস করতেন, মাতৃভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতির সার্বিক উন্নতি সম্ভব নয়।
‘ভারতী’ পত্রিকায় তিনি নিয়মিত বিজ্ঞান বিষয়ক নিবন্ধ লিখতেন। জ্যোতির্বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান এবং পরিবেশ বিজ্ঞান সম্পর্কিত জটিল তত্ত্বগুলোকে তিনি অত্যন্ত সরল বাংলায় ব্যাখ্যা করতেন। বৈজ্ঞানিক পরিভাষা তৈরিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।
জাতীয় রাজনৈতিক আন্দোলন ও নারী জাগরণ
স্বর্ণকুমারী কেবল অন্তর্মুখী সাহিত্যিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের একজন সক্রিয় যোদ্ধা।
১. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও স্বদেশী আন্দোলন:
১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৮৯ সালে বোম্বেতে অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের পঞ্চম অধিবেশনে যে কজন নারী প্রতিনিধি প্রথম অংশগ্রহণ করেছিলেন, স্বর্ণকুমারী ছিলেন তাঁদের অন্যতম। ১৮৯০ সালের কলকাতা অধিবেশনে তিনি প্রথম নারী হিসেবে মঞ্চে ভাষণ দেন এবং স্বদেশী চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটান।
তিনি স্বদেশী পণ্যের প্রসার এবং দেশীয় শিল্পের পুনর্জাগরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। বিদেশি কাপড় ও পণ্য বর্জনের আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে তিনি মহিলাদের সংগঠিত করেছিলেন।
২. ‘সখী সমিতি’ প্রতিষ্ঠা (১৮৯৬):
নারীদের স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে ১৮৯৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘সখী সমিতি’। এটি ছিল মূলত অনাথ বালিকা এবং নিঃস্ব বিধবা নারীদের আশ্রয় ও শিক্ষার কেন্দ্র।
- উদ্দেশ্য: নারীদের হস্তশিল্প, সেলাই, ও প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা।
- মহিলা শিল্পমেলা: সখী সমিতির তৈরি সামগ্রী বিক্রয় ও প্রদর্শনের জন্য তিনি নিয়মিত ‘মহিলা শিল্পমেলা’র আয়োজন করতেন। এটি নারীদের কুটির শিল্পকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এক বিরাট বিপ্লব এনেছিল।
স্বর্ণকুমারী দেবী ও তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণা
আজকের একুশ শতকের তরুণ সমাজ যখন তাদের ক্যারিয়ার, সৃজনশীলতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সচেষ্ট, তখন স্বর্ণকুমারীর জীবনপঞ্জি তাদের জন্য এক পরম নির্দেশক হিসেবে কাজ করতে পারে।
১. প্রতিবন্ধকতা জয়ের মানসিকতা: উনিশ শতকের সামাজিক বাধা সত্ত্বেও তিনি যেভাবে নিজের মেধা ও যোগ্যতাবলে সমাজে জায়গা করে নিয়েছিলেন, তা তরুণ সমাজকে যেকোনো প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহস দেয়।
২. বহুমুখী প্রতিভার বিকাশ (Multitasking): একাধারে সংসার পরিচালনা, সাহিত্য সাধনা, পত্রিকা সম্পাদনা এবং রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ—স্বর্ণকুমারী প্রমাণ করেছেন যে ইচ্ছা ও নিষ্ঠা থাকলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।
৩. মাতৃভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি প্রেম: বিশ্বায়নের যুগে দাঁড়িয়ে নিজের ভাষা ও ঐতিহ্যকে ভুলে না গিয়ে কীভাবে তাকে আধুনিক রূপ দেওয়া যায়, তা স্বর্ণকুমারীর কাজ থেকে শেখা যায়।
৪. সামাজিক দায়বদ্ধতা: কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যে সন্তুষ্ট না থেকে সমাজের অনগ্রসর ও নিপীড়িত নারীদের পাশে দাঁড়ানোর যে দৃষ্টান্ত তিনি ‘সখী সমিতি’র মাধ্যমে স্থাপন করেছিলেন, তা আজকের তরুণদের সমাজসেবায় অনুপ্রাণিত করে।
স্বীকৃতি এবং স্মৃতি রক্ষা
স্বর্ণকুমারী দেবী তাঁর অবদানের জন্য জীবদ্দশাতেই বহুল সম্মানিত হয়েছেন। ১৯২৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে বাংলা সাহিত্যের সর্বোচ্চ সম্মান ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’-এ ভূষিত করে। ১৯২৯ সালে তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনের সভাপতি নির্বাচিত হন, যা ছিল একজন নারীর জন্য তৎকালীন সময়ে এক অভূতপূর্ব সম্মান।
৩ জুলাই ১৯৩২ সালে এই মহান মহীয়সী নারী পরলোক গমন করেন। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া সাহিত্য ও সামাজিক দর্শন আজও বাংলা সংস্কৃতির মানচিত্রে উজ্জ্বল প্রদীপের মতো জ্বলছে।
শেষ কথা
স্বর্ণকুমারী দেবী কেবল রবি-পরিবারের একজন সদস্য ছিলেন না, তিনি ছিলেন নিজ দ্যুতিতে ভাস্বর এক নক্ষত্র। বাংলা সাহিত্যের আকাশে তিনি যে পদচিহ্ন রেখে গেছেন, তা যুগের পর যুগ বাঙালি জাতিকে পথ দেখাবে। আজকের আধুনিক, শিক্ষিত এবং সচেতন তরুণদের উচিত এই মহান ব্যক্তিত্বের সৃষ্টি ও দর্শনকে নতুন করে অনুধাবন করা এবং তাঁর আদর্শকে নিজেদের জীবনে ধারণ করা।
স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন সেই আলোকবর্তিকা, যিনি অন্ধকারের প্রাচীর ভেঙে বাংলায় নারী জাতির আত্মপ্রকাশের পথকে প্রশস্ত করেছিলেন। তাঁর স্মৃতি ও সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চিরকাল অমর হয়ে থাকবে।



