প্রাসাদ-নগরী ধান্যকুড়িয়া: বাংলার বুকে এক টুকরো ইউরোপ এবং বিস্মৃত ইতিহাসের সন্ধানে

প্রাসাদ-নগরী ধান্যকুড়িয়া

কলকাতা থেকে খুব বেশি দূরে নয়, উত্তর ২৪ পরগনার টাকি রোডের ধরে এগোলে হঠাৎই চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক অদ্ভুত দৃশ্য। চারপাশে দিগন্তবিস্তৃত সবুজ ধানক্ষেত, বাঁশঝাড় আর মেঠো পথ—অথচ তার মাঝেই দাঁড়িয়ে আছে আকাশছোঁয়া সব দুর্গ, প্রাসাদের চূড়া, আর ভিক্টোরিয়ান স্থাপত্যের স্তম্ভ। মনে হবে যেন জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় বাংলার কোনো গ্রাম হঠাৎ ইংল্যান্ডের রাজকীয় কান্ট্রিসাইডে রূপান্তরিত হয়েছে। এই গ্রামের নাম ধান্যকুড়িয়া, যাকে অনেকে ভালোবেসে ডাকেন ‘বাংলার ক্যাসেল ভিলেজ’ বা ‘প্রাসাদ নগরী’।

আজকের ধান্যকুড়িয়া পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় ‘অফবিট’ গন্তব্য হলেও, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের আগের ধান্যকুড়িয়া ছিল এক অন্য পৃথিবী। সেই ইতিহাস ঔপনিবেশিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ব্যবসায়িক সমৃদ্ধি এবং বাবু সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল। আসুন, ফিরে দেখা যাক সেই স্বর্ণযুগের ধান্যকুড়িয়াকে, যখন পাট ছিল ‘সোনালী আঁশ’ আর গ্রামের জমিদাররা স্বপ্ন দেখতেন নিজেদের গ্রামকে ইউরোপের ধাঁচে সাজানোর।

১. সূচনাপর্ব: সুন্দরবন হাসিল ও জনবসতি (১৭৪২–১৮০০)

ধান্যকুড়িয়ার ইতিহাস

ধান্যকুড়িয়ার ইতিহাসের শুরুটা কিন্তু কোনো রাজপ্রাসাদ দিয়ে হয়নি, হয়েছিল কুঠার আর লাঙল দিয়ে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে এই অঞ্চলটি ছিল সুন্দরবনের উত্তর প্রান্তের এক ভয়ানক জঙ্গল। বাঘ, কুমির আর ডাকাতদের উপদ্রবে এই এলাকা ছিল বসবাসের অযোগ্য।

ইতিহাস এবং জনশ্রুতি অনুযায়ী, ১৭৪২ সাল নাগাদ এই জঙ্গল হাসিল বা ‘আবাদ’ করার কাজ শুরু হয়। মনে করা হয়, বাংলায় তখন মারাঠা বর্গীদের হানা চলছে। বর্গীদের লুটতরাজ আর অত্যাচারের ভয়ে পশ্চিম ও দক্ষিণ বাংলার বহু মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালাতে শুরু করেন। এমনই এক সময়ে জগন্নাথ দাস নামে এক সাহসী ব্যক্তি এখানে এসে আশ্রয় নেন। তিনিই প্রথম এই জঙ্গল পরিষ্কার করে বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নেন।

ধীরে ধীরে তাঁর সাথে যোগ দেয় মন্ডল, সাউ (Sahoo), গাইন (Gayen) এবং বল্লভ (Ballav) পরিবার। এঁরা কেউই শুরুতে জমিদার ছিলেন না; এঁরা ছিলেন মূলত কঠোর পরিশ্রমী কৃষক ও ব্যবসায়ী। লবণাক্ত জলাভূমিকে তাঁরা কঠোর পরিশ্রমে উর্বর কৃষি জমিতে রূপান্তরিত করেন, যেখানে শুরু হয় ধান ও আখের চাষ। এই সময়কালটি ছিল অস্তিত্ব রক্ষা ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের যুগ।

আরও পড়ুন: এ পি জে আব্দুল কালাম মহান ভারতীয় বিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রপতি

২. বণিক রাজদের উত্থান (১৮০০–১৯০০)

ঊনবিংশ শতাব্দীতে যখন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলকাতায় তাদের আধিপত্য বিস্তার করছে এবং কলকাতাকে ‘প্রাসাদ নগরী’তে পরিণত করছে, তার প্রভাব এসে পড়ে ধান্যকুড়িয়াতেও।

কৃষিকাজ থেকে সরে এসে ধান্যকুড়িয়ার প্রধান পরিবারগুলো—বিশেষ করে গাইন, সাউ এবং বল্লভরা—ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন। এই অঞ্চলের উর্বর জমিতে ধান আর আখের ফলন তো ভালো ছিলই, কিন্তু ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দেয় পাট (Jute) এবং গুড়। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে তখন পাটের বস্তা আর দড়ির বিপুল চাহিদা। বাংলা হয়ে ওঠে বিশ্ববাজারে পাটের একচেটিয়া জোগানদার।

ধান্যকুড়িয়ার এই পরিবারগুলো ব্রিটিশ কোম্পানিগুলোর সাথে সরাসরি ব্যবসায় লিপ্ত হয়। তারা হয়ে ওঠে ব্রিটিশদের ‘কম্প্রেডর’ বা মধ্যস্থতাকারী। পাটের কারবার এবং আড়তদারির মাধ্যমে তারা বিপুল অর্থের মালিক হয়। এই নতুন ধনীরা সনাতন জমিদারদের মতো শুধু প্রজাদের করের টাকায় চলতেন না; এঁরা ছিলেন পুরোদস্তুর পুঁজিপতি বা ক্যাপিটালিস্ট। হাতে নগদ টাকার অভাব ছিল না, আর সেই টাকার জোরেই তাঁরা চাইলেন নিজেদের গ্রামকে বিলেতি সাহেবি কায়দায় সাজিয়ে তুলতে।

৩. স্থাপত্যের মহাযজ্ঞ: ইউরোপ যখন বাংলায়

ইউরোপ যখন বাংলায়

১৯৪৭-এর আগের ধান্যকুড়িয়ার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল এই ধনী পরিবারগুলোর মধ্যে প্রাসাদ তৈরির অঘোষিত প্রতিযোগিতা। কে কার চেয়ে সুন্দর এবং বড় ইমারত তৈরি করতে পারে, তা নিয়ে চলত রেষারেষি। তবে তাঁদের স্থাপত্যশৈলী ছিল অদ্ভুত—ভেতরে খাঁটি বাঙালি হিন্দু বাড়ির অন্দরমহল, আর বাইরে ইউরোপীয় দুর্গের আভিজাত্য।

ক) গাইন বাগান বাড়ি (The Gaine Garden House)

ধান্যকুড়িয়ার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এই বাগান বাড়িটি। এটি স্থানীয়দের কাছে ‘গাইন ক্যাসেল’ নামেই বেশি পরিচিত। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে এটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।
ইংরেজ সাহেবদের এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের আপ্যায়ন করার জন্য এটি তৈরি হয়েছিল। এর গঠনশৈলী অবাক করার মতো:

  • মধ্যযুগীয় দুর্গ: এর ছাদের পাঁচিলগুলো দুর্গের মতো খাঁজ কাটা, যেন যুদ্ধক্ষেত্র।
  • প্রবেশদ্বার: তোরণের ওপর দুই ইউরোপীয় পালোয়ান একটি সিংহের সাথে লড়াই করছে—যা ব্রিটিশ শক্তির প্রতীক।
  • জলরাশি: দুর্গের সামনে পরিখার মতো একটি পুকুর খনন করা হয়েছিল, যাতে এর প্রতিবিম্ব পড়ে এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি হয়।

খ) গাইন রাজবাড়ি

গাইন রাজবাড়ি

বাগান বাড়ি যদি হয় বিনোদনের জন্য, তবে গাইন রাজবাড়ি ছিল বসবাসের জন্য। ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে মহেন্দ্রনাথ গাইন এই বিশাল অট্টালিকাটি নির্মাণ করেন।

  • এটি ‘ফিউশন আর্কিটেকচার’ বা মিশ্র স্থাপত্যের সেরা উদাহরণ।
  • এর বারান্দায় সারি সারি করিন্থিয়ান ও আইওনিয়ান পিলার।
  • বাড়ির এক কোণে রয়েছে ‘নজর মিনার’—একটি গম্বুজাকার ওয়াচ-টাওয়ার, যার স্থাপত্যে ইসলামি এবং পাশ্চাত্য রীতির মিশ্রণ দেখা যায়।
  • ভেতরে রয়েছে বিশাল ঠাকুর দালান, যেখানে প্রতি বছর ধুমধাম করে দুর্গাপুজো হতো।

গ) সাউ এবং বল্লভ ম্যানশন

গাইনদের সাথে পাল্লা দিয়ে সাউ পরিবার (পতিত চন্দ্র সাউ প্রমুখ) এবং বল্লভ পরিবার (শ্যামাচরণ বল্লভ) তৈরি করেন তাদের নিজস্ব প্রাসাদ।
বল্লভদের বাড়িটি ‘পুতুল বাড়ি’ নামেও পরিচিত। এই বাড়ির ছাদের কার্নিশে এবং বাগানে সাজানো ছিল সারি সারি মূর্তি—রোমান দেবী থেকে শুরু করে ভিক্টোরিয়ান পুতুল। বাংলার গ্রামীণ পটভূমিতে এই বিদেশি মূর্তির সমাহার এক পরাবাস্তব দৃশ্য তৈরি করত।

আরও পড়ুন: তোতা কাহিনী – সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত রম্যরচনা

৪. রাজ আমলের সমাজ ও সংস্কৃতি

১৯৪৭-এর আগে ধান্যকুড়িয়ার জীবনযাত্রা ছিল সাহেবিয়ানা এবং গোঁড়া হিন্দু ঐতিহ্যের এক বিচিত্র সংমিশ্রণ।

বাবু কালচার:
বাড়ির কর্তারা কলকাতায় গিয়ে সাহেবি পোশাক পরতেন, চেম্বার অফ কমার্সের মিটিংয়ে ইংরেজিতে কথা বলতেন। কিন্তু গ্রামে ফিরে তাঁরা হয়ে যেতেন আদ্যপান্ত বাঙালি জমিদার। বাগান বাড়িতে হয়তো পিয়ানো বাজিয়ে পার্টি হতো, কিন্তু অন্দরমহলে কঠোরভাবে পালিত হতো ধর্মীয় অনুশাসন।

ধর্মীয় উৎসব:
ইউরোপীয় স্থাপত্যের আড়ালে গ্রামের আত্মা ছিল কিন্তু বৈষ্ণব ও শাক্ত ধর্মে নিবেদিত।

  • রাসমেলা: গ্রামের জমিদাররা মিলে একটি অপূর্ব ‘নবরত্ন’ শৈলীর ** রাসমঞ্চ** তৈরি করেন। এটি দেখতে একেবারেই বাংলার মন্দিরের মতো, যা প্রাসাদের স্থাপত্য থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
  • দুর্গাপুজো: পুজোর সময় সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে প্রাসাদের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হতো। সাউ, গাইন ও বল্লভ—সব বাড়ির ঠাকুর দালানে ঢাকের আওয়াজে মুখরিত হতো পরিবেশ।

জনহিতকর কাজ:
এই বণিক পরিবারগুলো বিশ্বাস করতেন, অর্থের সাথে সাথে সামাজিক দায়িত্বও আসে। তাঁরা গ্রামের উন্নয়নে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছিলেন।

  • শিক্ষা: ১৮৮৫ সালে তাঁরা প্রতিষ্ঠা করেন ধান্যকুড়িয়া হাই স্কুল, যা ছিল সেই সময়ের অন্যতম সেরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুল।
  • রেলপথ: বারাসাত-বসিরহাট লাইট রেলওয়ে (BBLR) তৈরিতে এঁদের বড় ভূমিকা ছিল। মার্টিন বার্ন কোম্পানির এই রেলপথে ‘ধান্যকুড়িয়া’ নামে একটি স্টেশনও ছিল, যা দিয়ে সহজেই কলকাতায় পাট পাঠানো হতো।

৫. স্বাধীনতার প্রাক্কাল (১৯০০–১৯৪৭)

স্বাধীনতার প্রাক্কাল

বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। ধান্যকুড়িয়ার জমিদাররা সাধারণত ব্রিটিশ সরকারের অনুগত ছিলেন। উপেন্দ্রনাথ সাউ বা আশুতোষ গাইনের মতো ব্যক্তিরা জনসেবার জন্য ব্রিটিশদের কাছ থেকে ‘রায় বাহাদুর’ খেতাব পেয়েছিলেন।

তবে স্বদেশী আন্দোলনের ঢেউ থেকেও এই গ্রাম পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিল না। বাড়ির নতুন প্রজন্মের ছেলেরা ক্রমশ কলকাতার রাজনৈতিক আবহে জড়িয়ে পড়তে থাকে। ১৯৪৩-এর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময় এই জমিদাররা তাঁদের গোলা খুলে দিয়েছিলেন সাধারণ মানুষের জন্য—যা ছিল তাঁদের সামন্ততান্ত্রিক উদারতার শেষ নিদর্শন।

৬. ১৯৪৭: একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি

১৯৪৭ সালের দেশভাগ ধান্যকুড়িয়ার ইতিহাসে এক বড় ছেদ টেনে দেয়। যদিও গ্রামটি পশ্চিমবঙ্গের (ভারতের) অন্তর্ভুক্ত হয়, কিন্তু পাটের ব্যবসায় ধস নামে। পাটের চাষ হতো মূলত পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশ), আর কলকারখানা ছিল পশ্চিমে। দেশভাগের ফলে কাঁচামালের জোগান বন্ধ হয়ে যায়। সেই পুরনো সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়ে।

এর কিছুদিন পরেই ১৯৫০-এর দশকে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলে এই পরিবারগুলোর আয়ের প্রধান উৎস বন্ধ হয়ে যায়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এবং জীবিকার সন্ধানে পরিবারের অনেকেই কলকাতায় পাড়ি জমান। পড়ে থাকে বিশাল সব প্রাসাদ, যা আজ কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।


পর্যটকদের জন্য গাইড: বর্তমান ধান্যকুড়িয়া

ইতিহাসের সেই স্বর্ণযুগকে ছুঁয়ে দেখতে চাইলে ধান্যকুড়িয়া আজও আপনাকে হতাশ করবে না। এক বা দু’দিনের ভ্রমণের জন্য এটি আদর্শ।

কী কী দেখবেন?

গাইন বাগান বাড়ি

১. গাইন বাগান বাড়ি (দ্য ক্যাসেল): যদিও এটি এখন সরকারি মালিকানাধীন এবং ভেতরে ঢোকা সবসময় সম্ভব হয় না, কিন্তু টাকি রোডের ওপর দাঁড়িয়ে এর দৃশ্যই আপনাকে মুগ্ধ করবে। রূপকথার দুর্গের মতো এর গঠন ছবি তোলার জন্য আদর্শ।
২. গাইন রাজবাড়ি: এই বাড়িতে এখনো বংশধররা বসবাস করেন। অনুমতি নিয়ে বা অনুরোধ করলে তাঁরা অনেক সময় পর্যটকদের তাঁদের বিখ্যাত ঠাকুর দালান এবং নজর মিনারটি দেখতে দেন।
৩. বল্লভ ম্যানশন (পুতুল বাড়ি): সবুজ ও সাদা রঙের এই বাড়িটির গায়ে এবং ছাদে বিভিন্ন মূর্তির কাজ দেখার মতো।
৪. রাসমঞ্চ: জমিদার বাড়িগুলোর কাছেই অবস্থিত এই সুউচ্চ নবরত্ন মন্দিরটি বাংলার নিজস্ব স্থাপত্যের নিদর্শন।
৫. পুরানো স্কুল ও হাসপাতাল: ১৮৮৫ সালে তৈরি স্কুল বিল্ডিংটি আজও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে।

কখন যাবেন?

ধান্যকুড়িয়া যাওয়ার সেরা সময় হলো দুর্গাপুজোর (সেপ্টেম্বর/অক্টোবর) চার দিন। এই সময় সাউ এবং গাইন বাড়ির তালাবদ্ধ দালানগুলো খুলে দেওয়া হয়, ঝাড়বাতিতে আলো জ্বলে, এবং পরিবারের সদস্যরা শহর থেকে গ্রামে ফেরেন। সেই পুরনো আভিজাত্য তখন কিছুদিনের জন্য প্রাণ ফিরে পায়।

কীভাবে যাবেন?

  • গাড়িতে: কলকাতা থেকে টাকি রোড ধরে বারাসাত হয়ে সহজেই ধান্যকুড়িয়া পৌঁছানো যায় (দেড় থেকে দু’ঘণ্টার পথ)।
  • ট্রেনে: শিয়ালদহ থেকে হাসনাবাদ লোকাল ধরে কাঁকড়া মির্জানগর স্টেশনে নামতে হবে। সেখান থেকে অটো বা টোটো করে ১৫ মিনিটে গ্রামে পৌঁছানো যায়।

উপসংহার

ধান্যকুড়িয়া কেবল কিছু পুরনো ইটের পাঁজর নয়; এটি একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষার গল্প। এটি এমন এক সময়ের সাক্ষী, যখন বাংলার কিছু সাহসী মানুষ স্বপ্ন দেখেছিলেন নিজেদের গ্রামকে বিলেত বানানোর। সেই স্বপ্ন আজ হয়তো ফিকে হয়ে গেছে, কিন্তু ধান্যকুড়িয়ার প্রতিটি থাম, খিলান আর অলিন্দে কান পাতলে আজও শোনা যায় সেই হারিয়ে যাওয়া সময়ের ফিসফিসানি।

তথ্য সৌজন্য :-
theindianquest
reserchgate
homegrown
kolkatafirst
thespace

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top